গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট -
গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট -

গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট -

গাইবান্ধা জেলার মেডিকেল শিক্ষায় একমাত্র শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসাবে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা: এস,এম,বেলাল।

গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট -

প্রতিষ্ঠানের নবীন বরণ ও সনদপত্র বিতরন অনুষ্ঠানে গাইবান্ধা জেলার সিভিল সার্জন, বিএম সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা: এস,এম,বেলাল।

গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট -

গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ইন্সটিটিউটের ওরিয়েন্টেসন অনুষ্ঠানে উপস্থিত গাইবান্ধা জেলার তত্ত্বাবধায়ক, সিভিল সার্জন, বিএম এর সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা: এস,এম,বেলাল।

গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট-

গাইবান্ধা কমিউনিটি নার্সিং ও ম্যাটস এবং মেডিকেল ইন্সটিটিউট এর প্রসাসনিক ভবন।

Sunday, July 19, 2020

Description

Dear Client, 
                  This is momotazul7 an Expert Digital Marketing. Working online for three years. I have completed some technical training to work online. So you may hire me for your task to be done. Just describe to me your concern I will try to get your full satisfaction by completing the job on time properly. Thanks for visiting my profile.

Tuesday, July 14, 2020

Pharmacy

Pharmacy


ক্যারিয়ার গঠনে ফার্মেসির ভূমিকা – 

S.S.C তে জি পি এ ২.৫০ পেয়ে পাশ করে যারা প্রথমত রাস্তাছেড়ে প্রফেশনাল কোর্সে পড়াশোনা করতে চাওতাদের জন্য ভাল খবর হল ভবিষ্যতে ভাল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য অল্প বয়সেই Diploma in Pharmacy কোর্সটি সম্পন্ন করে অনায়াসে একটি সরকারী (নিশ্চিত চাকুরী) অথবা বেসরকারী ভাল চাকুরী করতে পারবে। ফার্মাসিষ্ট হিসাবে মোটামুটি তোমরা চার ধরনের কাজ করতে পারো –

  • রিটেল ফার্মাসিষ্ট
  • ইন্ডাসট্রিয়াল ফার্মাসিষ্ট
  • হসপিটাল ফার্মাসিষ্ট
  • রিসার্চ ফার্মাসিষ্ট।

সাধারনত একজন Diploma Pharmacist কোর্স সম্পন্ন করে চাকুরীর শুরুতেই ৬০০০-৮০০০ বেতন পায়। এছাড়া ইন্ডাসট্রিয়াল ফার্মাসিষ্টের বেলায় শুরুতেই ৮০০০- ১০০০০/= বেতন পায়।

এই চাকুরীটা যদি উচুদরের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী হয় সেক্ষেত্রে শুরুতেই ১৫০০০-২০০০০/= বেতন হতে পারে। একটু চোখকান খোলা রাখলেই বুঝতে পারবে ফার্মাসিষ্টের পেশার কাজ কিন্তু উর্ধ্বমুখি। আমাদের জনসংখ্যা যেভাবে বাড়ছে আর মেডিকেল সায়েন্স এর উন্নতি যত দ্রুত হচ্ছে তারজন্য প্রতিদিনই বাজারে আসছে নতুন নতুন ঔষধ এতে ফার্মাসিস্টদের চাহিদা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়তে বাধ্য। এছাড়া বিদেশের বাজারে বাংলাদেশের ঔষধ রপ্তানির সুযোগ যত বাড়ছেফার্মাসিস্টদের পেশার গুরুত্বও তত বাড়ছে।

ফার্মেসী পড়তে যেসমস্ত ল্যাব প্রয়োজন –

  • Anatomy Lab
  • Physiology Lab
  • Community Medicine Lab
  • Microbiology Lab
  • Computer Lab
  • Pharmacy Lab
  • Physics Lab
  • Chemistry Lab

চাকুরির ক্ষেত্র সমূহ –

  • সরকারী/ বেসরকারী মেডিকেল কলেজ সমূহ এবং সরকারী/ বেসরকারী হেল্থ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে নিয়োগ।
  • রিটেল ফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ।
  • ইন্ডাসট্রিয়াল ফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ।
  • হসপিটাল ফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ।
  • রিসার্চ ফার্মাসিষ্ট হিসাবে নিয়োগ।
  • বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীতে নিয়োগ।
  • আত্ম কর্ম সংস্থানের সুযোগ।
  • বিদেশে চাকুরীর সুযোগ।

Pathology

Pathology

যে কোন মানুষ অসুস্থ হলেই তাকে ডাক্তারের সরনাপন্ন হতে হয় আর তখন ডাক্তারের চিকিৎসা করার জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক রোগ নির্ণয়ের কাজটাই করে একজন মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট। সঠিক রোগ নির্ণয় না হলে মানুষ অনেক ভোগান্তির শিকার হয় এমনকি শেষ পর্যন্ত মৃত্যুও হতে পারে। মেডিক্যাল ল্যাবরেটরীর টেকনিশিয়ানরা এদের চেয়ে এক ধাপ নিচে। সাধারনত এক বছরের কোর্স সম্পন্ন করে টেকনিশিয়ান হয় কিন্তু তিন বছরের ডিপ্লোমা কোর্স শেষ করে মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট হয়। মূলত টিস্যুরক্তমলমানব শরীরের অন্যান্য পদার্থ পরীক্ষা করতে হয় এবং কাজের ফলাফল জানতে হয় সংশ্লিস্ট চিকিৎসককে। এছাড়া ল্যাবরেটরী সংক্রান্ত সব বিষয়েই দক্ষ হতে হবে। স্পেশালাইজেশন করা যায় মাইক্রো বায়োলজিহেমাটোলজিইউরিন এনালাইসিসসেরোলজিক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রিট্রক্সিকোলজিভাইরোলজিহিস্টোপ্যাথলজি এবং সাইটোলজি বিষয়ে মূলত এটি একটি প্রফেশনাল ও সেবা মূলক কাজ। এই বিষয়ে পড়াশোনা করে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে অত্যন্ত ধৈর্য্য ও নিষ্ঠার সাথে পড়াশোনা করতে হবে। তবে এই কোর্স পড়ে উন্নত ক্যারিয়ার গঠন সম্ভব। এই কোর্স সম্পন্ন করলে কাজের সুযোগ অনেক। একজন ছাত্র চাইলেই ৩য় বর্ষ থেকে Job করতে পারে। পাশ করার পর যে কোন ডায়াগনস্টিক সেন্টার বা হাসপাতালে ৮০০০-১০০০০/= টাকায় চাকুরী শুরু করতে পারে। শুধুমাত্র Diploma শেষ করে চিফ টেকনোলজিষ্টডিপার্টমেন্টাল সুপারভাইজারল্যাব ইনচার্জ এবং ল্যাব সাইনটিস্ট অফিসার পর্যন্ত হওয়া যায়।

উচ্চ শিক্ষার সুযোগ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অত্র ইনস্টিটিউটে B.Sc in Health Technology (Pathology) কোর্স চালু রয়েছে (৪ বছর মেয়াদী)। যার ফলে প্যাথলজি টেকনোলজিতে যারা ডিপ্লোমা কোর্স সম্পন্ন করবেন তাদের Bachelor Degree করার বিশেষ সুযোগ তৈরী হয়েছে। এছাড়া দেশের বাইরে উচ্চতর ডিগ্রী গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

চাকুরীরক্ষেত্রসমূহঃ

  • সরকারী/ বেসরকারী মেডিকেল কলেজ সমূহে টেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ
  • সরকারী/ বেসরকারী হেল্থ টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে ল্যাব ইন্সট্রাকটর হিসাবে নিয়োগ
  • সরকারী/ বেসরকারী হাসপাতালে টেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ
  • ক্লিনিক/ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেকনোলজিষ্ট হিসাবে নিয়োগ
  • বিদেশে চাকুরীর সুযোগ
  • আত্ম কর্মসংস্থানের সুযোগ।

প্যাথলজি পড়তে যে সমস্ত ল্যাব প্রয়োজন:

  • Anatomy Lab
  • Physiology Lab
  • Community Medicine Lab
  • Micro biology Lab
  • Bio-Chemistry Lab
  • Histopathology & Cytopathology Lab
  • Hematology & Blood transfusion Lab
  • Computer Lab
  • Physics Lab
  • Chemistry Lab 

Nursing

Nursing


নার্সিং একটি মহৎ পেশা এবং সেবামূলক কাজ। পৃথিবীতে যত মহৎ পেশা আছে নার্সিং তার মধ্যে অন্যতম। বিগত কয়েক দশকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিপুল সমপ্রসারনের সাথে নার্সিং পেশাটির বিপুল সমপ্রসারন ঘটেছে। বর্তমানে আমাদের দেশে একজন ডাক্তারের সাথে সহকারী হিসেবে চারজন নার্সকে সার্বক্ষনিক থাকতে হয়। তাই আমাদের দেশে দিনে দিনে অনেক মানুষ নার্সিং পড়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করছে। নার্সিং ৪বছর মেয়াদী একটি কোর্স। আমাদের দেশে বর্তমানে নার্সের চাহিদা অনেক। নার্সিংকে ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তা বলে গণ্য করা হয়। বহির্বিশ্বে এই পেশার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে। বর্তমানে সরকারী ও বেসরকারী খাতে নার্সদের বিপুল সংখ্যক পদ শূন্য রয়েছে। বলাবাহুল্য একজন রোগীর ক্ষেত্রে একজন নার্সের ভূমিকা ও গুরুত্ব অপরিসীম। একজন ছাত্র/ছাত্রী S.S.C পাশ করে নার্সিং কোর্সটি শেষ করে সে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই সরকারীআধাসরকারী ও বেসরকারী যে কোন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করার সুযোগ পাবে। শুরুতেই একজন নার্স ১০,০০০/- টাকা হতে ১৫,০০০/- টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে। দেশে বিদেশে নার্সিং পেশার ব্যাপক চাহিদা থাকায় নার্সিং কোর্সটি শেষ করে দেশের বেকারত্ব মোচন এবং বিদেশে চাকুরী করে দেশের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে সক্ষম হবে। বর্তমানে B.Sc নার্সিং কোর্স চালু হয়েছে। যদি কেউ চায় তবে ডিপ্লোমা নার্সিং শেষ করে B.Sc নার্সিং পড়তে পারবে। সেক্ষেত্রে তার কর্মের সুযোগ সুবিধার পরিধি অনেক বেড়ে যাবে।

নার্সিং পড়তে যেসব ল্যাব থাকা প্রয়োজন 

  • Anatomy Lab
  • Physiology Lab
  • Community Medicine Lab
  • Microbiology Lab
  • Chemistry Lab
  • Physics Lab
  • Transfusion Lab

চাকুরীর ক্ষেত্র সমূহ –

  • সরকারী/ বেসরকারী মেডিকেল কলেজ সমূহে নার্স হিসাবে নিয়োগ।
  • সরকারী/ বেসরকারী হাসপাতালে নার্স হিসাবে নিয়োগ।
  • ক্লিনিক/ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নার্স হিসাবে নিয়োগ।
  • বিদেশে চাকুরীর সুযোগ।
  • আত্ম কর্মসংস্থানের সুযোগ।

MATS

  MATS

মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্ট ট্রেনিং কি এবং কেন?

Medical Assistant Training School (MATS) হলো গ্রাম বাংলার জনগনের সাস্থ্য  ও পরিবার পরিকল্পনার সেবার লক্ষ্য নিয়ে- ১৯৭৬ সালে সরকার প্রথম মধ্যম মানের চিকিৎসক তৈরীর উদ্দেশ্যে ৪ বৎসর মেয়াদী বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে। এই কোর্সের নাম Medical Assistant Training Course. যা State Medical Faculty থেকে এই ডিপ্লোমা প্রাপ্ত চিকিৎসকগন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক রেজিষ্ট্রেশন/লাইসেন্স প্রাপ্ত মধ্যম মানের চিকিৎসক। বাংলাদেশের ৬৮,০০০ হাজার গ্রামের প্রায় ১৫ কোটি মানুষের সাস্থ্য  সেবা দেয়ার জন্যই মূলত এই চিকিৎসা শ্রেণী তৈরী হয়। ১৯৭৬ সালে কোর্স চালু হলে পরবর্তীতে ১৯৭৯ সাল থেকে গ্রাম/ইউনিয়ন এবং উপজেলা-লেভেলে নিয়োগ প্রাপ্ত মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্টগন গ্রাম বাংলার মানুষের চিকিৎসা সেবা তথা সাস্থ্য সেবা দিয়ে আসছে। মানুষের যে কোন সাস্থ্য  সম্পর্কিত সমস্যার কারনে বহু উচ্চ ডিগ্রি প্রাপ্ত ডাক্তার রয়েছেন যারা বেশীর ভাগই শহরাঞ্চলে বসবাস করেন। ফলে গ্র্রামের মানুষ তাদের সাস্থ্য  সমস্যায় প্রাথমিক যে ডাক্তারদের সহযোগীতা পায় তারা হল এই বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত ডিপ্লোমা ডাক্তার। মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্ট ট্রেনিং কোর্সধারী ডাক্তার গ্রামের মানুষের কাছে আজ তাদের পরিচিতির প্রয়োজনীয়তা বিশেষ ভাবে লক্ষনীয়। তাদের সেবায় মানুষ সন্তুষ্ট। Medical Assistant Training Course সম্পন্নকারীগনকে সরকার Diploma of Medical Faculty (DMF) ডিগ্রি দিয়ে থাকে।  

 MATS কেন পড়বেন?

  • আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন অন্যতম প্রাইভেট ম্যাট্স।
  • অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা এমন ভাবে পাঠদান করা হয় যেকোন প্রকার গৃহ শিক্ষকের প্রয়োজন নেই।
  • প্রতিষ্ঠানটিতে ১০০% ব্যবহারিক ক্লাশ করার নিশ্চয়তা রয়েছে।
  • সরকারী নাম করা হাসপাতালে ৪র্থ বর্ষ থেকে ইন্টার্নী করার সুবিধা।
  • ৫ হাজার বই সমৃদ্ধ লাইব্রেরী। যাতে রয়েছে দেশী-বিদেশী প্রচুর সহায়ক বই।
  • শিক্ষার্থীদের তত্ত্বাবধানের জন্য গাইড শিক্ষক ব্যবস্থা।
  • বিনোদন ও ইনডোর গেমসের সুবিধা।
  • ধুমপান ও রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস।

MATS/DMF – পরিসংখ্যান

দেশে বর্তমান প্রায় ৫ হাজার সরকারী নিয়োগ প্রাপ্ত মেডিকেল এ্যাসিষ্ট্যান্ট DMF ডাক্তার আছে। সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিবছর ৩০০-৪০০জন পাশ করে বের হয়। অথচ DMF ডাক্তারের প্রয়োজন রয়েছে প্রায় ১০ হাজার। ২০০৮ সালের সরকার বিজ্ঞাপন দিয়েও চাহিদা অনুযায়ী DMF ডাক্তার পাওয়া যায়নি।

ম্যাট্‌স পড়তে যে সমস্ত ল্যাবের প্রয়োজন

  • Anatomy Lab
  • Physiology Lab
  • Community Medicine Lab
  • Computer Lab
  • Pathology & Microbiology Lab
  • Pharmacology Lab

সার্টিফিকেট প্রদান 

MATS ৪ বছর মেয়াদী একটি শিক্ষাক্রম। চুড়ান্তভাবে কৃতকার্য শিক্ষার্থীকে সাস্থ্য  ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। সরকারী প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করা DMF  পাশ করা ছাত্র-ছাত্রীগন একই সার্টিফিকেট পেয়ে থাকেন।

শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

  • মোট আসনের ১৫% ছাত্রীদের জন্য আসন সংরক্ষিত।
  • ছাত্রীদের জন্য ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও Guidance এর ব্যবস্থা।
  • ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নিরাপত্তা মূলক হোস্টেল ব্যবস্থা।

MATS এর কর্মক্ষেত্র 

শুধুমাত্র সরকারী ভাবে চাকুরীর পোষ্ট খালি রয়েছে ৯ হাজার এর উপরে MATS কোর্স সম্পন্নকারীকে DMF সার্টিফিকেট প্রদান করে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ। DMF, ডিগ্রি প্রাপ্তরা সহকারী ডাক্তার। প্রাপ্তরা সহকারী বলার কারন সরকারের পল্লী চিকিৎসক কার্যক্রম থেকে কিছু প্রাথমিক (Grass Root) পর্যায়ের চিকিৎসক শ্রেণী গ্রামের বিভিন্ন মহল্লায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। DMF ডিগ্রি প্রাপ্তরা বহু ভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে থাকে সরকারের সাস্থ্য অধিদপ্তর এবং পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রনালয় অধীনে উপজেলা সাস্থ্য কেন্দ্রেবিভিন্ন সাস্থ্য উপ-কেন্দ্রেইউনিয়ন সাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেস্কুল হেলথ ক্লিনিকবিভিন্ন আধাসরকারী/কর্পোরেশন- যেমন- তিতাস গ্যাসবি,আই,ডব্লিউটি,সিবিজি প্রেসবাংলাদেশে বিমান ইত্যাদি ছাড়াও বিভিন্ন এনজিও প্রতিষ্ঠানে যেমন-ব্রাকগনসাস্থ্যকেয়ারগণসাহায্যে সংস্থাআই সি ডিডিআরবি, Save the Children (USA)/(UK), ইহা ছাড়াও দেশী বিদেশী নানা প্রতিষ্ঠানে DMF ডিগ্রি প্রাপ্তগন নিয়োগ পেয়ে থাকে। ভবিষ্যতে আরও নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরী হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো বর্তমানে শুধু সরকারী পর্যায়ে নিয়োগ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট সংখ্যক DMF ডিগ্রিধারী না থাকায় বার বার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েও আসন খালি থেকে যাচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্যই সরকার বেশী সংখ্যক DMF ধারী ডাক্তার তৈরীর জন্য বেসরকারী পর্যায়ে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা শুরু করেছে। বলতে গেলে বর্তমানে এবং সামনে আরও ৭/৮ বৎসর একহাতে DMF সার্টিফিকেট এবং অন্য হাতে চাকুরীর সুযোগ রয়েছে। আবার চাকুরী না করলেও একজন DMF ডাক্তার প্রাইভেট প্রাকটিশনার হিসাবে শহরে বন্দরে কিংবা গ্রামে ডাক্তারী করে মাসে ভালো পরিমান অর্থ রোজগার করতে পারবে যাহা একটা ভালো চাকুরীর চেয়ে কোন অংশে কম নয়।সরকারী চাকুরীতে DMF -দের Sub-Assistant Community Medical officer বা উপ-সহকারী চিকিৎসা কর্মকর্তা অথবা Medical Assistant হিসাবে এবং বেসরকারী ক্ষেত্রে নানাবিধ পদে চাকুরীতে নিয়োগ দেওয়া হয়। এক কথায় কোর্স সম্পন্ন করলে ১০০% নিশ্চিত চাকুরী অথবা আত্ম কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধা ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অত্র প্রতিষঠান নিজ উদ্যোগে হোস্টেল পরিচালনা করে আসছেন। হোস্টেলটি ইনস্টিটিউট এর নিকট বর্তি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ হোস্টেলে অবস্থানরত ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য লাইব্রেরী এবং ল্যাব ব্যবহারের পর্যাপ্ত সুবিধা প্রদান করেছে।